
মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
হিমালয় কোল ঘেষা উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে সকালে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
আজ রোববার ২৫ জানুয়ারি সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়ে জেলার হরিপুর উপজেলার আটঘরিয়া এলাকা এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। আবহাওয়া অধিদপ্তর ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকেন্দ্র ঢাকা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করে প্রথম আলো প্রত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদন ঢাকা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
প্রথম আলো প্রত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশ করা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের কর্মকর্তা রুবায়েত কবীর এর সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো তিনি বলেন, সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এটিকে মৃদু ভূমিকম্প হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বলেন, ভূমিকম্পটি মৃদু মাত্রার ছিল। তাই এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কিছু নেই। কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ঢাকা ও এর আশপাশে কয়েকটি ভূমিকম্প হয়। গত ২১ নভেম্বর, শুক্রবার এবং পরদিন শনিবার প্রায় ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারবার ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে দেশে ১০ জন নিহত হন। আহত ৬ শতাধিক মানুষ।
অন্যদিকে অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি প্রকাশ করেছে, ভূমিকম্পের গভীরতা এখনো নিরূপণ করা যায়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে এটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল। এ ছাড়া বেশিরভাগ মানুষ এটি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছে তারা।
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, ঝাঁকুনি বেশ শক্তিশালী ছিল।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেন আমাদের ঠাকুরগাঁও ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছিলো কিন্তু তেমনটা ক্ষতি হয়নি। আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেন মাত্র ঘুম থেকে উঠলাম ফেসবুক না বললে যানতেও পারতাম না ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
এ দিকে জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় অনেকের মতো জেলার রানীশংকৈল উপজেলার পৌর শহরের বাসিন্দা বীরমুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত মেডিক্যাল অফিসার ডা. এসকে জাকারিয়া মহাদয়ের সাথে আমাদের জেলা প্রতিনিধি মাসুদ রানা পলক এর সাথে কথা হলে তিনি জানান,প্রতিদিনের মত আমি সকালে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বিভোর ছিলাম হঠাৎ করেই বুঝতে পারলাম যে কিছু একটা হচ্ছে বেশ ঝাঁকুনি অনুভব করেছি হয়তো ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে। বাসার লোকজনদের অবগত করে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নেওয়ার কথা বলার কিছু সময়ের মধ্যে ভূমিকম্প শেষ হয়ে গেল। তখন সময় আনুমানিক পনে নয়টা নাগাদ সময় হবে।