Surjalok News

Header
collapse
Home / সারাদেশ / পঞ্চগড়ে চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারিদের বিক্ষোভে যোগ দিয়ে একমত পোষণ করলেন সারজিস আলম

পঞ্চগড়ে চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারিদের বিক্ষোভে যোগ দিয়ে একমত পোষণ করলেন সারজিস আলম

2026-02-04  Surjalok Desk  174 views
img-1179.jpeg
 
 
আমির খসরু লাবলু, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: 
 
জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ এর সুপারিশকৃত নবম পে স্কেল ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে পঞ্চগড়ে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিরা। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি পঞ্চগড় জেলা শাখার ব্যানারে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পঞ্চগড় চৌরঙ্গী মোড়ে পঞ্চগড়-ঢাকা জাতীয় মহসড়কে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল পালন করে তারা। 
 
এসময় বক্তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ অনেক কষ্টে দিন পার করছি। অল্প বেতনে পরিবার নিয়ে চলি। আমাদের নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। দাবি মানা না হলে কঠোর আন্দোলনে হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। 
 
এসময় বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি কর্মচারী সমিতি পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি নূরে আলম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান সহ  চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
এদিকে জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ এর সুপারিশকৃত পে-স্কেল ও গেজেট প্রকাশের দাবীত ১১থেকে২০ গ্রেড কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসুচীতে যোগ দিয়ে একমত পোষণ করেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মূখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নির্বাচনের পূর্বে পে-স্কেল ও গ্রেজেট প্রকাশের দাবী জানিয়ে বলেন, ২০২৪ সালের অভ্যূত্থানে সে শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেটি হল সংস্কার। যদি আমাদের দেশটাকে ঠিক দিকে নিয়ে যেতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে সংস্কার করতে চাই। তাহলে সবার আগে আমাদের পলিসিকে সংস্কার করতে হবে। আমরা চাই আমাদের যারা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী আছেন তারা তাদের জায়গা থেকে সৎ থাকুক। আমরা চাই তারা তাদের কাজে মনোযোগ দিক।
 
সারজিস আলম বলেন, চাকুরীজীবিদের জীবন যাপন করার জন্য,  তাদের পরিবার চলার জন্য, সন্তান লালন পালন করার জন্য, আজকের এই ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে যতটুকু নূন্যতম খরচ তাদের প্রতিদিনের প্রতি মাসে জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রয়োজন যখন আমরা নিশ্চিত করতে পারি না তখনই তাদেরকে অন্য পথ বেছে নিতে হয়। তখনই একজন কর্মকর্তা কর্মচারীকে অন্যান্য অনেক বিষয় চিন্তা করতে হয়। যেগুলো দিয়ে তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ তাদের সংসার ও সন্তান লালন পালন নিয়ে চিন্তা করতে হয়। 
 
তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পরে যে ধরনের পে স্কেল ছিল আজকে ২৬ সালে দাঁড়িয়ে যে ধরনের পে স্কেল ও বেতন কাঠামো এটা দিয়ে বাংলাদেশের কোন মানুষ সুস্থ স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে না। আমরা যদি সিস্টেমটার সংস্কার করতে চাই। আমরা যদি আমাদের জায়গা থেকে এই মানুষগুলোকে দেশের সেবায় সর্বোচ্চ নিয়োজিত হিসেবে দেখতে চাই। তাহলে আজকের এই দিনে দাঁড়িয়ে একজন মানুষের জীবনযাপনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কতটুকু বেতন দরকার সেটুকু নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী পেয়ে স্কেল বাস্তবায়ন করা উচিত। 

Share: